কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ এ ১১:২৫ AM
কন্টেন্ট: পাতা
রূপকল্প (Vision):
লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার চর ও মূলভূমি এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর, পরিবেশবান্ধব, মানসম্মত, টেকসই ও দক্ষ সেচ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, যার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা।
অভিলক্ষ্য (Mission):
লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য (বিশেষত চরাঞ্চল, নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা ও মৌসুমি জলাবদ্ধতা) বিবেচনায় সেচ প্রযুক্তির উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ দক্ষতা ও সেচকৃত এলাকা সম্প্রসারণ এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত, টেকসই ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী সেচ উপকরণ সহজলভ্য করা।
কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ (Strategic Objectives):
১. লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার কৃষকদের জন্য সেচ ও কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা ও সরবরাহ বৃদ্ধি;
২. তিস্তা নদীসহ অন্যান্য নদ-নদী, খাল-বিলের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
৩. আধুনিক, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব সেচ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি;
৪. চরাঞ্চলে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অনাবাদি জমিকে আবাদযোগ্য জমিতে রূপান্তর;
৫. সৌরশক্তিসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ।
আবশ্যিক কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ (Mandatory Strategic Objectives):
১. দক্ষতার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (APA) বাস্তবায়ন;
২. সেবা প্রদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও মানোন্নয়ন;
৩. স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ;
৪. জনবল দক্ষতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পেশাগত নৈতিকতার উন্নয়ন;
৫. তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ ও বাস্তবায়ন জোরদারকরণ;
৬. পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
কার্যাবলি (Functions):
১. লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার কৃষকদের জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান প্রদান ও দক্ষতা উন্নয়ন;
২. সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি, সেচকৃত এলাকা সম্প্রসারণ এবং আবাদী জমির পরিমাণ বৃদ্ধি, পাশাপাশি সুলভ মূল্যে সেচ সুবিধা প্রদান;
৩. খাল-নালা পুনঃখনন ও সংস্কারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং কৃষি উপযোগী জমি বৃদ্ধি;
৪. সেচ যন্ত্রপাতি (যেমন: শক্তি-সাশ্রয়ী পাম্প, সৌরচালিত পাম্প, উন্নত পাইপলাইন ইত্যাদি) সংগ্রহ ও কৃষক পর্যায়ে সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ;
৫. ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেচ অবকাঠামো (যেমন: রাবার ড্যাম, সোলার পাম্প, পাইপলাইন নেটওয়ার্ক) নির্মাণ ও সম্প্রসারণ;
৬. চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর (বিশেষত সৌরশক্তি) টেকসই সেচ ব্যবস্থা স্থাপন ও সম্প্রসারণ;
৭. বন্যা ও নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় জলবায়ু সহনশীল (climate-resilient) সেচ ব্যবস্থাপনা কৌশল বাস্তবায়ন;
৮. ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা হ্রাস করে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খরচ কমানো;
৯. কৃষক সমবায়/ওয়াটার ইউজার গ্রুপ গঠন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক সেচ ব্যবস্থাপনায় তাদের সম্পৃক্তকরণ।
অতিরিক্ত প্রাসঙ্গিক দিক (Context-Specific Focus):