কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬ এ ০৪:১৩ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশ একটি কৃষি নির্ভর দেশ, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সেচ ব্যবস্থার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর সেচ উইং ১৯৬০-এর দশক থেকে আধুনিক সেচ প্রযুক্তি প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। মাত্র ১,৫৫৫টি শক্তিচালিত পাম্পের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম বর্তমানে একটি সমন্বিত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। ২০২৪-২৫ সেচ মৌসুমে সারাদেশে মোট ৫৭.৯০ লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে রবি মৌসুমে প্রায় ৯৫% জমি ক্ষুদ্র সেচের আওতায় এবং ৫% বৃহৎ সেচের আওতায় রয়েছে। মোট সেচের প্রায় ৭২.০৭% ভূগর্ভস্থ পানির মাধ্যমে এবং ২৭.৯৩% ভূপরিস্থ পানির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। এ বাস্তবতায় টেকসই কৃষি নিশ্চিত করতে ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি, ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা হ্রাস এবং সেচ দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিএডিসি (সেচ) এর আওতায় নির্বাহী প্রকৌশলী, বিএডিসি (সেচ), লালমনিরহাট রিজিয়ন দপ্তর লালমনিরহাট শহরের মহেন্দ্রনগরের লালমনিরহাট সার গোডাউন ক্যাম্পাসে অবস্থিত। রিজিয়ন দপ্তরটি লালমনিরহাট+কুড়িগ্রাম জেলা নিয়ে গঠিত। এ রিজিয়নের আওতায় ২টি জোন ও ৮টি ইউনিট অফিস রয়েছে।
লালমনিরহাট রিজিয়ন (লালমনিরহাট+কুড়িগ্রাম) (নির্বাহী প্রকৌশলী) | লালমনিরহাট জোন (লালমনিরহাট জেলা) (সহকারী প্রকৌশলী) | লালমনিরহাট সদর ইউনিট (লালমনিরহাট সদর+আদিতমারি) (উপসহকারী প্রকৌশলী) |
কালিগঞ্জ ইউনিট (কালিগঞ্জ+হাতীবান্ধা) (উপসহকারী প্রকৌশলী) | ||
পাটগ্রাম ইউনিট (পাটগ্রাম) (উপসহকারী প্রকৌশলী) | ||
কুড়িগ্রাম জোন (কুড়িগ্রাম জেলা) (সহকারী প্রকৌশলী) | কুড়িগ্রাম সদর ইউনিট (কুড়িগ্রাম সদর+ফুলবাড়ি) (উপসহকারী প্রকৌশলী) | |
রাজারহাট ইউনিট (রাজারহাট) (উপসহকারী প্রকৌশলী) | ||
উলিপুর ইউনিট (উলিপুর+চিলমারী+রৌমারী) (উপসহকারী প্রকৌশলী) | ||
রাজিবপুর ইউনিট (রাজিবপুর উপজেলা) (উপসহকারী প্রকৌশলী) | ||
নাগেশ্বরী ইউনিট (নাগেশ্বরী+ভুরুঙ্গামারী) (উপসহকারী প্রকৌশলী) |